আপডেট:
30 January 2026

৯ম - ১৩তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি: যেভাবে শুরু করবেন

৯ম - ১৩তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি: যেভাবে শুরু করবেন


বাংলাদেশে সরকারি চাকরির একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে ৯ম-১৩তম গ্রেডের পদসমূহ। আকর্ষণীয় বেতন স্কেল, আবাসন সুবিধা এবং নিশ্চিত পেনশনের সুযোগ থাকায় বিসিএস-এর পাশাপাশি এই গ্রেডগুলো এখন চাকরিপ্রার্থীদের পছন্দের শীর্ষে। 

অনেকেই ৯ম-১৩তম গ্রেডের একটি চাকরি নিশ্চিত করতে চান। কিন্তু সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে অনেক মেধাবী প্রার্থীই পিছিয়ে পড়েন। 

আজকের এই ব্লগে আমরা আলোচনা করব ৯ম-১৩তম গ্রেডের নিয়োগ পদ্ধতি, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং ঘরে বসেই প্রস্তুতির একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন। যেন সম্পূর্ণ ব্লগটি পড়ার পর আপনার ৯ম-১৩তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি নিয়ে আর কোন কনফিউশন না থাকে। চলুন শুরু করা যাক।

৯ম - ১৩তম গ্রেডের চাকরিগুলো কেন জনপ্রিয়?

৯ম-১৩ম গ্রেডের জবসমূহ বাংলাদেশে বর্তমান চাকরি প্রার্থীদের অন্যতম ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বর্তমান সময়ে চাকরির পরীক্ষার দীর্ঘ নিয়োগ প্রক্রিয়া, ধীর BCS পরীক্ষা ও নিয়োগপ্রক্রিয়া এবং সার্কুলার সল্পতার দরুন ৯ম-১৩তম গ্রেডের যে কোনো একটি জবে চাকরির প্রার্থীরা স্থায়ী রেখে পর্যায় ক্রমে প্রথম শ্রেণির পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হতে থাকে। 

তাছাড়া সরকারি হিসাব মতে, ৬ লাখের বেশি পদ খালি রয়েছে যার বড় একটি অংশ ৯ম-১৩তম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। আর তাই এই ধরনের পরীক্ষাগুলোতে ভালো করার জন্য সঠিক গাইডলাইন ও গোছানো প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই।

৯ম - ১৩তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

৯ম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

নবম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো মূলত প্রথম শ্রেণির গেজেটেড পদ, যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বিসিএস ক্যাডার, যেমন: আইন কর্মকর্তা, সহকারী সচিব, মেডিকেল অফিসার, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, প্রভাষক, সহকারী প্রকৌশলী, এবং সিনিয়র অফিসার, সেইসাথে সাবরেজিস্ট্রার, সহকারী পরিচালক (মাদক নিয়ন্ত্রণ), ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা, যা সরকারি চাকরির একটি সম্মানজনক ধাপ ও পদোন্নতির সুযোগ দেয়।

১০ম গ্রেডের গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

১০ম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর মধ্যে রয়েছে পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই), প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সরকারি হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক, সিনিয়র টেকনিক্যাল এ্যাসিসট্যান্ট, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, প্রোগ্রামার ও অন্যান্য।

১১তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

১১তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (কিছু ক্ষেত্রে), প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সিনিয়র টেকনিশিয়ান,। এই গ্রেডটি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির মধ্যবর্তী একটি সম্মানজনক পদ এবং এতে প্রায়শই কারিগরি ও প্রশাসনিক বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়, যা সরকারি চাকরিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান নির্দেশ করে ।

১২তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

১২তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো মূলত বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সহকারী/অফিসার পদ এবং শিক্ষা ও প্রাথমিক ক্ষেত্রের কিছু পদ যেমন: হিসাবরক্ষক, বিভিন্ন দপ্তরের সহকারী পরিচালক (কিছু ক্ষেত্রে), সার্ভেয়ার (কিছু ক্ষেত্রে), পরিসংখ্যান সহকারী, সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা/সহকারী ইত্যাদি, যা সরকারি চাকরির একটি মধ্যম স্তরকে নির্দেশ করে।

১৩তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ

১৩তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর মধ্যে রয়েছে সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, উচ্চমান সহকারী কাম করণিক, হিসাবরক্ষক, ক্যাশিয়ার, পরিসংখ্যান সহকারী, ট্রেজারি হিসাবরক্ষক, একান্ত সহকারী এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকগণ। এই পদগুলো প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদের উন্নয়নের জন্য দাবিও করা হয়েছে।

৯ম-১৩তম গ্রেডের পদসমূহে আবেদনের যোগ্যতা

৯ম গ্রেডের আবেদন যোগ্যতা: 

৯ম গ্রেডের পদের আবেদন যোগ্যতা পদের ধরন ও নিয়োগকারী সংস্থা অনুযায়ী ভিন্ন হয়, তবে সাধারণত স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্দিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রয়োজন হয়; যেমন প্রকৌশলী পদের জন্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিগ্রি, আর অন্যান্য পদের জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে অনার্স/মাস্টার্স ডিগ্রি লাগে।

১০ম গ্রেডের আবেদন যোগ্যতা:
১০ম গ্রেডের চাকরির জন্য যোগ্যতা পদের ওপর নির্ভরশীল, তবে সাধারণত স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি (বিজ্ঞান/প্রকৌশল/ব্যবসায়), সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা, অথবা উচ্চমাধ্যমিকের পর বিশেষ প্রশিক্ষণ (যেমন বিপিএড) প্রয়োজন হয়, সাথে নির্দিষ্ট বয়সসীমা (সাধারণত ৩২ বছর) ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হয়; যেমন বিমানবাহিনীতে ডিপ্লোমা বা স্নাতক লাগে, আবার প্রদর্শকের জন্য স্নাতক ডিগ্রি প্রয়োজন। 


১১ম গ্রেডের আবেদন যোগ্যতা: 

১১তম গ্রেডের চাকরির আবেদন যোগ্যতা পদের উপর নির্ভরশীল, তবে সাধারণত স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি চাওয়া হয়, বিশেষত বাণিজ্য বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে', সাথে কম্পিউটার দক্ষতা (যেমন কম্পিউটার অপারেটরের জন্য) বা বিশেষায়িত ডিপ্লোমা/অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হতে পারে।

১২তম গ্রেডের আবেদন যোগ্যতা:
১২তম গ্রেডের চাকরির জন্য সাধারণত স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি এবং শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ/শ্রেণি/সিজিপিএ না থাকা মূল যোগ্যতা, তবে পদের ধরন (টেকনিক্যাল/নন-টেকনিক্যাল) ও প্রতিষ্ঠানভেদে পরিসংখ্যান, গণিত, অর্থনীতি, বা বাণিজ্য বিভাগের ডিগ্রি, নির্দিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা, অথবা প্রাসঙ্গিক কাজের অভিজ্ঞতাও চাওয়া হতে পারে, তাই নির্দিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে যোগ্যতা যাচাই করা জরুরি।


১৩তম গ্রেডের আবেদন যোগ্যতা:
১৩তম গ্রেডের চাকরির যোগ্যতা পদের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয়, তবে সাধারণত স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি, কম্পিউটার চালনায় দক্ষতা (বাংলায় ২৫/ইংরেজিতে ৩০ শব্দ), এবং বয়স অনূর্ধ্ব ৩২ বছর চাওয়া হয়, তবে কিছু পদে প্রকৌশল ডিগ্রি বা নির্দিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমাও প্রয়োজন হতে পারে, যেমন: কম্পিউটার অপারেটর, বৈজ্ঞানিক সহকারী, উপ-খাদ্য পরিদর্শক ইত্যাদি পদে এমন যোগ্যতা প্রয়োজন হয়।

৯ম-১৩তম গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি

৯ম-১৩তম গ্রেডের জবসমূহের নিয়োগ পদ্ধতি মূলত তিনটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়ে থাকে। ১ম পর্যায়ে প্রার্থীরা ১০০ মার্কের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ও ২য় পর্যায়ে লিখিত এবং সর্বশেষ ভাইভা উত্তীর্ণের মাধ্যমে চাকরি পেয়ে থাকেন। নিচে ৯ম-১৩তম গ্রেডের সিলেবাস ও মানবন্টন তুলে ধরা হলো: 

৯ম-১৩তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন

বিষয়

নম্বর

পরীক্ষার সময়

বাংলা

২০

১ ঘন্টা

ইংরেজি

২০

সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি)

২০

প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল বিষয়

৪০

সর্বমোট

১০০


৯ম-১৩তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

৯ম-১৩তম গ্রেডের জবসমূহের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হলো প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। তাই ৯ম-১৩তম গ্রেডের জবসমূহের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় নিজেকে প্রস্তুত করতে সঠিক গাইডলাইনের কোনো বিকল্প নেই। আর এক্ষেত্রে ৯ম-১৩তম গ্রেড জবের সঠিক গাইডলাইন হতে পারে বিদ্যাবাড়ি পরিবার। আপনার ৯ম-১৩তম গ্রেডের জব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে নিন্মোক্ত টপিকসমূহ অনুশীলন নিশ্চিত সফলতা বয়ে আনবে।  

বাংলা বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:

বাংলা ভাষা: 

ভাষা ও ব্যকরণ, ধ্বনি ও বর্ণ, শব্দ ও শব্দ প্রকরণ, সন্ধি, ণ-ত্ব বিধান ও ষ-ত্ব বিধান, বানান শুদ্ধিকরণ, পদ প্রকরণ, উপসর্গ, অনুসর্গ, প্রকৃতি ও প্রত্যয়, সমাস, কারক ও বিভক্তি, বাক্য প্রকরণ, দ্বিরুক্ত শব্দ, বাচ্য পরিবর্তন, যতি বা ছেদ চিহ্ন, বিপরীত শব্দ, বাক্য সংকোচন, বাগধারা, পারিভাষিক শব্দ, অনুবাদ, সারাংশ/ভাব-সম্প্রসারণ/চিঠি-পত্র।


বাংলা সাহিত্য: 

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ, বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ, বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ, বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য মহাকাব্য ও কাব্যগ্রন্থ, উল্লেখযোগ্য উপন্যাস, উল্লেখযোগ্য নাটক, উল্লেখযোগ্য গল্প, ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ ও চলচ্চিত্র, বিখ্যাত কবি-সাহিত্যিকদের উপাধি ও ছদ্মনাম, পত্র-পত্রিকা পরিচিতি।

অধ্যয়নের উৎস:

  • ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা বোর্ড বই

  • MP3 বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।

  • অগ্রদূত বাংলা।

  • প্রফেসর’স বাংলা ভাষা ও সাহিত্য 


ইংরেজি বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:

Parts of Speech, Noun, Pronoun, Adjective, Verb, Group verb/Phrasal verb, Tag Question, Adverb, Preposition, Appropriate proposition, Conjunction, Interjection, Word Formation, Article, Determiner, Number, Gender, Right form of verb, Correction, Tense, Conditional, Sentence, Transformation of sentence, Degree, Voice, Narration, Translation, Synonyms & Antonym, Idioms & Phrase, Spelling, One word Substitution. 

অধ্যয়নের উৎস:

  • Classroom MCQ English Grammar & Literature [এম আই প্রধান মুকুল] 

  • Master English [Md. Jahangir Alam] MCQ AID Vocabulary

  • Professors English for Competitive Exam 

  • Oracle Competitive English


গণিত ও মানসিক দক্ষতা বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:

সংখ্যা, ভগ্নাংশ, শতকরা, লাভ-ক্ষতি, ল.সা.গু, ও গ.সা.গু, সরল ও যৌগিক মুনাফা, গড় ও বয়স সংক্রান্ত সমস্যা, অনুপাত ও সমানুপাত ও মিশ্রণ, ঐকিক নিয়ম, বীজগাণিতিক সূত্রাবলি ও মান নির্ণয়, উৎপাদকে বিশ্লেষণ, সূচক, লগারিদম, ধারা, জ্যামিতি, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বহুভুজ, বৃত্ত, ঘনবস্তু, ত্রিকোণমিতি, মান নির্ণয়। 

অধ্যয়নের উৎস:

  • Khairul’s Basic Math 

  • Ashraful’s Math Cocktail Preli 

  • Professors Math MCQ Aid এর সূত্র ভাণ্ডার

সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:

বাংলাদেশ বিষয়াবলি:
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ, বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু, বাংলাদেশের নদ-নদী, হাওর, বিল ও হ্রদ, বাংলাদেশের দ্বীপ ও চরসমূহ, পাহাড়-পর্বত, উপত্যকা, জলপ্রপ্রাত ও ঝরনা, বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্র সৈকত; মধ্যযুগের ইতিহাস: মুঘল শাসনামল, উপমহাদেশে ইউরোপীয়দের আগমন, ব্রিটিশ শাসন, দেশ বিভাগ ও পাকিস্তান আমল; বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস (১৯৫১-১৯৭১); বাংলাদেশের সংবিধান; বাংলাদেশের অর্থনীতি; বাংলাদেশের সম্পদ (কৃষিজ, খনিজ, মৎস্য, প্রাণিজ, বনজ ইত্যাদি); বাংলাদেশের জনসংখ্যা ও সমাজ জীবন; বাংলাদেশের জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক স্থান, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভাস্কর্য, বাংলাদেশের খেলাধুলা, বাংলাদেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা, বাংলার সঙ্গীত, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা, বাংলাদেশের প্রথম নারী, বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তিবর্গ, বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ, বৃহত্তম, ক্ষুদ্রতম, দীর্ঘতম, উচ্চতম; রাষ্ট্র ও নাগরিকতা।


আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি:
বিশ্বের ভৌগোলিক পরিচিতি: পৃথিবী পরিচিত, বিশ্বের প্রাচীন সভ্যতাসমূহ, বিশ্বের বিখ্যাত ভৌগোলিক উপনাম, বিশ্বের বিখ্যাত সীমারেখা, পৃথিবীর বৃহত্তম, ক্ষুদ্রতম, দীর্ঘতম, গভীরতম ও উচ্চতম, পাহাড়-পর্বত-পর্বতশঙ্গ, মরূভূমি, প্রণালি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা; মহাদেশ পরিচিতি: এশিয়া মহাদেশ, রাজধানী-মুদ্রা-ভাষা-পার্লামেন্ট, এশিয়া মহাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ, ইউরোপ মহাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ, ইউরোপ মহাদেশের বিখ্যাত স্থান; আফ্রিকা মহাদেশ পরিচিতি; ওশেনিয়া মহাদেশ পরিচিতি: উত্তর আমেরিকা মহাদেশ পরিচিতি, দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ, দক্ষিণ আমেরিকার দেশ, রাজধানী, মুদ্রা, ভাষা, পার্লামেন্ট; জাতিপুঞ্জ এবং জাতিসংঘ; জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসংস্থা; বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, আঞ্চলিক সহযোগীতামূলক সংস্থা: পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা, পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন, আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন; বিশ্বের বিভিন্ন যুদ্ধ ও সংশ্লিষ্ট তথ্যবলি।

অধ্যয়নের উৎস:

  • ৫১তম বিসিএস ডাইজেস্ট প্লাস [বিদ্যাবাড়ি]

  • MP3 বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী।

  • প্রফেসর’স বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী।

  • ব্যাসিক ভিউ [মো: নাঈম হোসেন]।  

কম্পিউটার বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:

কম্পিউটার: কম্পিউটারের মৌলিক তথ্য, কম্পিউটারের প্রজন্ম, কম্পিউটাররের স্মৃতি, কম্পিউটার সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, কম্পিউটার ভাইরাস; তথ্যপ্রযুক্তি: ইন্টারনেট, ই-মেইল, ব্যবহারিক ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তি, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, নেটওয়ার্ক টপোলজি, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং, কম্পিউটার সম্পর্কিত বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানসমূহ।

অধ্যয়নের উৎস:

  • বেসিক কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি [মো: আব্দুস সাত্তার]।

  • ইজি কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি [Dr. Md. Shahnewaz Hossain]।


৯ম-১৩তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভালো করার কৌশল

৯ম-১৩তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় চাকরির প্রার্থীদের বৃহৎ একটি অংশ অংশগ্রহণ করে থাকে। যার কারণে এই গ্রেডগুলোর পরীক্ষা গুলোতে ব্যাপক প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। তাই সিলেবাস অনুযায়ী পরিকল্পিত পড়াশোনা, বিগত বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ, নিয়মিত মডেল টেস্ট ও রিভিশন এবং সময় ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য; একই সাথে সাধারণ জ্ঞান, গণিত, ইংরেজি ও বাংলার মতো মৌলিক বিষয়গুলো মজবুত করার পাশাপাশি সাম্প্রতিক আপডেট তথ্যের উপর জোর দিন; আর এক্ষেত্রে আপনার সেরা সহায়ক হতে পারে বিদ্যাবাড়ির প্রতিদিনের চাকরির পত্রিকা। 

৯ম-১৩তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন

ক্রমিক

বিষয়

নম্বর

পাশ নম্বর

পরীক্ষার সময়

১.

বাংলা

৪০

বাংলা, ইংরেজি এবং সাাধারণ জ্ঞান প্রতিটি বিষয়ের জন্য পৃথকভাবে ২৫%; টেকনিক্যাল /প্রফেশনাল বিষয়ে ৪০% এবং সামগ্রিকভাবে ৪৫%।

৪ ঘন্টা

২.

ইংরেজি

৪০

৩.

সাধারণ জ্ঞান 

৪০

৪.

প্রাসঙ্গিক টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল বিষয়

৮০


সবমোট

২০০

৯ম-১৩তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

৯ম-১৩তম গ্রেডের জবসমূহের ক্ষেত্রে ২য় পর্যায়ে প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়। এক্ষেত্রে প্রার্থীদের ২০০ ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হয়। ৯ম-১৩তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষায় প্রস্তুতি নিতে নিম্নোক্ত টপিকগুলোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া বাঞ্ছনীয়। কারণ লিখিত পরীক্ষার নম্বর ও  উত্তীর্ণ হওয়ার উপরই মূলত নির্ভর করে আপনার চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা ও অনিশ্চয়তা। নিম্নে ৯ম-১৩তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক টপিকসমূহ তুলে ধরা হলো। 

বাংলা বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ: 

  • ব্যাকরণ: ভাষার সংজ্ঞা, ভাষার রূপ, সাধুভাষা ও চলিত রীতির রূপান্তর, দেশি ও বিদেশি শব্দ, ণত্ব-বিধান ও ষত্ব-বিধানের সংজ্ঞা ও নিয়মাবলি, দ্বিরুক্ত শব্দ, পদ, ধাতু, উপসর্গ, অনুসর্গ, প্রকৃতি ও প্রত্যয়, যতি বা বিরাম চিহ্ন, শুদ্ধ ও অশুদ্ধ, বাগধারা, বাক্য সংকোচন, প্রতিশব্দ ও সমার্থক শব্দ, প্রায় সমোচ্চারিত শব্দ, একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগ। 

  • সারাংশ/সারমর্ম

  • পত্র লিখন: ব্যক্তিগত পত্র, আবেদন পত্র, পত্রিকায় প্রকাশানার্থে পত্র, ব্যবসা সংক্রান্ত্র পত্র, স্মারকলিপি।

  • বঙ্গানুবাদ

  • রচনা 

অধ্যয়নের উৎস:

  • ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা বোর্ড বই

  • সাহিত্য কথা [রানা ঘোষ]।

  • শীকর [মোহসিনা নাজিলা]।

  • অগ্রদূত [মফিজুল ইসলাম মিলন]।


ইংরেজি বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:

  • Grammar: Use of Verb, Preposition, Voice, Narration, Correction of errors in composition, use of words having similar pronunciation but conveying different meaning, use of idioms and phrases. 

  • Essay (with hints)

  • Letter: Official/Semi-official/Memorandum/Business Type.

  • Comprehension 

অধ্যয়নের উৎস:

গণিত ও মানসিক দক্ষতা বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:

  • পাটিগণিত: সেট ও সংখ্যা, সরল, গড়, লাভ-ক্ষতি, শতকরা, সুদকষা, ক্ষেত্রফল, অনুপাত, সমানুপাত।

  • বীজগণিত: বর্গ ও ঘন এর সূত্র এবং এর ব্যবহার, ল.সা.গু., গ.সা.গু, উৎপাদকে বিশ্লেষণ, সমাধান, মান নির্ণয় ইত্যাদি।

  • জ্যামিতি: প্রাথমিক ধারণা ও সংজ্ঞা, রেখা, বিন্দু, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ সর্ম্পকীয় বিষয়াদী; ক্ষেত্রফল ও বৃত্ত সম্পর্কীয় বিয়াবদী, ত্রিকোণমিতি ইত্যাদি।

  • মানসিক দক্ষতা: Ability to understand language, decision making ability, ability to measure spatial relationship and direction, problem solving ability, perceptual ability etc. 

অধ্যয়নের উৎস:

  • Khairul’s Basic Math 

  • Ashraful’s Math Cocktail 

  • Professors Math

সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:

বাংলাদেশ বিষয়াবলী:
বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থা, জনসংখ্যা, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, শিল্প ও সাহিত্য, প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ, জলবায়ু, পরিবেশ, বাংলাদেশের উন্নয়নে কৃষি, শিল্প, বাণিজ্যের অবদান, উন্নয়ন পরিকল্পনা।

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী:
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্, জাতিসংঘ ও এর অঙ্গ সংগঠনসমূহ, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, গ্লোবালাইজেশন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূজহ, বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা স্থানসমূহ। 


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি:
দৈনন্দিন বিজ্ঞান, বায়ু, মাটি, তাপ, বিদ্যুৎ, আলো চুম্বক, খাদ্যের উপাদান, জনস্বাস্থ্য

অধ্যয়নের উৎস:

  • ওরাকল বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী। 

  • প্রফেসর’স বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী।

  • অ্যাসিওরেন্স বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী


কম্পিউটার বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:

কম্পিউটার, কম্পিউটারের প্রকারভেদ, কম্পিউটারের প্রজন্ম, কম্পিউটার পেরিফেরালস, কম্পিউটারের স্মৃতি, কম্পিউটার সফটওয়্যার, ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, কম্পিউটার ভাইরাস, ইন্টারনেট, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, নেটওয়ার্ক ডিভাইস, নেটওয়ার্ক টপোলজি, তারবিহীন মাধ্যম, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং, কম্পিউটার সম্পর্কে বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান। 

অধ্যয়নের উৎস:

  • আলাল’স কম্পিউটার আওয়ার

  • ফেনমস কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি   

৯ম–১৩তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার কৌশল

৯ম-১৩ গ্রেডের চাকরির পরীক্ষা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, চাকরির প্রার্থীর বৃহৎ একটি অংশ এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিতে থাকে। তাছাড়া অন্য গ্রেডের তুলনায় ৯ম-১৩তম গ্রেডের চাকরির সার্কুলার বেশিই হয়ে থাকে। ফলে স্বভাবতই এই গ্রেডের পরীক্ষায় প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। চাকরির প্রার্থীদের মধ্যে তুমুল প্রতিযোগীতা ৯ম-১৩ তম গ্রেডের জবসমূহকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এই গ্রেডের পরীক্ষায় নিজেকে সফল করতে হলে সিলেবাস বিশ্লেষণ, নিয়মিত অনুশীলন ও সঠিক গাইডলাইনের কোনো বিকল্প নেই। আর এক্ষেত্রে সঠিক গাইডলাইন পেতে BCS Written And Viva Practice পেজটি অনুসরণ করতে পারেন। 

৯ম–১৩তম গ্রেডের মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম-১৩তম গ্রেডের মৌখিক পরীক্ষার সেই সমস্ত প্রার্থীরা অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। যারা প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার ধাপ অতিক্রম হতে সক্ষম হয়। অধিকাংশ ভাইভা প্রার্থীরাই উক্তপদের জন্য বিবেচিত হলেও নিয়োগপ্রাপ্ত পদের স্বল্পতার দরুণ স্ব-স্ব কর্তৃপক্ষ সিমীত সংখ্যক প্রার্থীদের চূড়ান্ত মনোনিত করে থাকে। তবে মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় সেই সমস্ত প্রার্থীরাই চূড়ান্ত মনোনীত হয়ে থাকে যারা নিয়মিত অনুশীলন ও অদম্য পরিশ্রমী হয়। তবে এক্ষেত্রে বেশ কিছু বিষয় মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় প্রশ্ন করা হয়ে থাকে যেমন: নিজ জেলা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, প্রার্থীর সাবজেক্ট রিলেটেড প্রশ্ন, বিশেষ ব্যক্তিত্ব, রিসেন্ট আলোচিত ইস্যু, প্রার্থীর পঠিত প্রতিষ্ঠান ও প্রার্থী যে পদের সেই সংক্রান্ত প্রশ্নসমূহ। এক্ষেত্রে মনে রাখা জরুরী যে একটি সুন্দর ও পরিপাঠি মৌখিক (ভাইভা) আপনার ভাগ্য বদল করে দিতে পারে। 

মৌখিক পরীক্ষার নম্বর এবং পাশ নম্বর হবে নিম্নরূপ:

বিষয়

নম্বর

পাশ নম্বর

৯ম গ্রেড (টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল

১০০

৫০%


১০ম, ১১তম, ১২তম ও ১৩তম গ্রেডের টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল পদ:

বিষয়

নম্বর

পাশ নম্বর

১০ম, ১১তম, ১২তম ও ১৩তম গ্রেড

(টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল

৫০

৫০%


৯ম–১৩তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতিতে যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলা উচিত

৯ম-১৩তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতির সঠিক গাইডলাইন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে অধিকাংশ প্রার্থীরাই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত মনোনীত হতে পারে না। আপনি যদি সত্যিই ৯ম-১৩তম গ্রেডের প্রস্তুতি নিতে চান তাহলে ব্লগটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়ে আপনার প্রস্তুতি শুরু করুন এখন থেকে। 

এক্ষেত্রে আপনি যে গ্রেডের প্রস্তুতি নিতে চান সেই গ্রেডের বিগত সালের প্রশ্ন, সিলেবাস বিশ্লেষণ, নিয়মিত অনুশীলন ও প্রতিনিয়ত আপডেট তথ্য আহরণ করতে থাকুন। 

এক্ষেত্রেবিদ্যাবাড়ির প্রতিদিনের চাকরির পত্রিকা আপনার বেশ সহায়ক হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে প্রায়শ চাকরির প্রার্থীরা সিলেবাস পর্যালোচনা বা বিগত সালের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে প্রশ্ন প্যাটার্ন সম্পর্কে ধারণা না নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকে। 

ফলে অনেক সময় দেখা যায় প্রার্থীরা কোনোভাবে একটি বা দুটি ধাপ অতিক্রম করলেও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত মনোনয়নে ব্যর্থ হয়। সুতরাং এক্ষেত্রে নিজেকে প্রস্তুত করতে টার্গেট ভিত্তিক পড়াশোনা ও একটি নির্দিষ্ট গাইডলাইন অনুসরণ করা বাঞ্চনীয়। আর এক্ষেত্রে আপনার সেরা প্রস্তুতি হতে পারেBiddbari প্লাটফর্ম। যেখানে ২৪ ঘন্টা একজন মেন্টরস কর্তৃক আপনাকে কোর্স ভিত্তিক স্পষ্ট গাইডলাইন দেওয়া হয়।

FAQ

প্রশ্ন: ৯ম–১৩তম গ্রেডের চাকরির জন্য সর্বনিম্ন যোগ্যতা কী?

উত্তর: ৯ম-১৩তম গ্রেডের চাকরির সর্বনিম্ন যোগ্যতা স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি। 


প্রশ্ন: নন ক্যাডার ও ৯ম–১৩তম গ্রেডের চাকরির মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর: নন-ক্যাডার পদসমূহ মূলত  বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন কর্তৃক সৃষ্ট। সরাসরি পাবলিক সার্ভিস কমিশনে -এ পদে নিয়োগ প্রদান করে থাকে। অন্যদিকে ৯ম-১৩তম গ্রেডের জবসমূহ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত নয় তবে অনেকক্ষেত্রে পাবলিক সার্ভিস কমিশন কিছু নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ প্রদান করে থাকে। যেমন: প্রাইমারি প্রধান শিক্ষক (নন ক্যাডার থেকে হতে পারে)।


প্রশ্ন: ৯ম–১৩তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাস নম্বর কত?

উত্তর: ৯ম-১৩তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাস নম্বর পরীক্ষা ও নম্বরবন্টন অনুসারে ভিন্ন হতে পারে। তবে ৪০% নম্বর পাস নম্বর হিসেবে গণ্য হয়।


প্রশ্ন: প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং থাকে কি?

উত্তর: ৯ম-১৩তম গ্রেড জবে সাধারণত  প্রতিষ্ঠান ভেদে ০.৫০/.২৫ কর্তন হবে ।


প্রশ্ন: কোন বই দিয়ে প্রস্তুতি শুরু করা উচিত?

উত্তর: প্রিলিমিনারি অংশের জন্য ৫০তম বিসিএস ডাইজেস্ট প্লাস বইটি আপনার সহায়ক হতে পারে। পাশাপাশি লিখিত অংশের জন্য স্ব স্ব সাবজেক্টের ব্যাসিক বইগুলো অনুসরণ করুন।


প্রশ্ন: আগের বছরের প্রশ্ন সমাধান কি আসলেই কাজে লাগে?

উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই কাজে লাগে। কেননা প্রতিটি পরীক্ষায় বিগত সালের প্রশ্ন থেকে প্রায় ৪০-৫০% প্রশ্ন কমন থাকে।


প্রশ্ন: কতদিন প্রস্তুতি নিলে ভালো করা সম্ভব?

উত্তর: ৯ম-১৩তম গ্রেডের জবের সঠিক প্রস্তুতি নিতে চাইলে ৮-১০ মাস নিয়মিত অধ্যবসায় করলে ভালো করা সম্ভব।

উপসংহার

৯ম-১৩তম গ্রেডের জব গাইডলাইন প্রস্তুতি প্লাটফর্মের এই ব্লগটির অন্তিম পর্যায়ে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রিয় পাঠক আমাদের এ প্রচেষ্টা তখনই স্বার্থক হবে যদি আপনি আমাদের ব্লগটি পড়ার দ্বারা বিন্দুমাত্র উপকৃত হন। তাই আপনি যদি নিয়মিত সিলেবাস ভিত্তিক/টপিক ভিত্তিক অধ্যয়ন ও বিগতসালের প্রশ্নসমূহ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে পারেন তাহলে আপনি অবশ্যই সফল হবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনি যে কোনো একটি অনলাইন প্লাটফর্মে ভর্তি হতে পারেন। পাশাপাশি নিয়মিত পরীক্ষা প্রদানের মাধ্যমে নিজের দূর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত ও ক্রমাগত উন্নত করুন। নিশ্চিত আপনি সফল হবেন। আপনার সফলতাই বিদ্যাবাড়ির কাম্য।






Leave A Reply

Already have an account ? Sign in to leave a reply

Comments

Top Categories

BCS

17

9th-20th Grade

1

Bank

2

Primary

8

NTRCA

5

Browse By Categories

More Blogs

9th-20th Grade

৯ম - ১৩তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি: যেভাবে শুরু করবেন

MD MAHFUZAR RAHMAN TAREK |

30 January 2026

৯ম - ১৩তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি: যেভাবে শুরু করবেন

Bank

সমন্বিত ব্যাংকের সকল পদের পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন (প্রিলিমিনারি ও লিখিত)

Biddabari (Nurullah) |

01 January 2026

সমন্বিত ব্যাংকের সকল পদের পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন (প্রিলিমিনারি ও লিখিত)

BCS

নন ক্যাডার নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি যেভাবে শুরু করবেন

Biddabari (Nurullah) |

05 December 2025

নন ক্যাডার নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি যেভাবে শুরু করবেন

ডাউনলোড করুন

বিদ্যাবাড়ি App

180K+

Learners

4.7

Positive
Reviews

180+

Skill based Courses

ডাউনলোড করুন বিদ্যাবাড়ি অ্যাপ,
শুরু করুন এখান থেকেই