স্থিতিশীল আয়ের উৎস নিশ্চিত করে অনেকে পরবর্তীতে উচ্চতর গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। ফলে ১৪তম-২০তম গ্রেডের পরীক্ষাগুলো এখন আর “দ্বিতীয় বিকল্প” নয়; বরং সচেতন পরিকল্পনার অংশ।
১৪তম - ২০তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ
বর্তমানে চাকরির পরীক্ষার্থীর বড় একটি অংশ ১৪-২০তম গ্রেড জব প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। আকর্ষণীয় বেতন, প্রভিডেন্ট ফান্ড,আবাসন সুবিধা,চাকরির নিশ্চয়তা ও সামাজিক মর্যাদা এই ক্যাটাগরির জবসমূহকে করেছে অনন্য। আসুন জেনে নি ১৪-২০তম গ্রেডের জবসমূহের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ সম্পর্কে:
১৪তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ:
১৪তম গ্রেডের সরকারি চাকরিগুলো মূলত তৃতীয় শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এই গ্রেডের পদগুলোর মধ্যে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, বিভিন্ন কারিগরি পদে টেকনিশিয়ান, গাড়ির চালক, ইন্সট্রাক্টর, এবং লাইব্রেরি অ্যাসিস্ট্যান্ট উল্লেখযোগ্য।
১৪তম গ্রেডের জবসমূহের বিভিন্ন পদ, গ্রেড, এবং বেতন স্কেল:
পদের নাম | গ্রেড | বেতন স্কেল |
সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেট |
১৪তম |
১০,২০০–২৪,৬৮০ টাকা |
হাউস কিপার |
ক্যাশিয়ার |
১৫তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ:
দেশে সরকারি জবের বড় একটি অংশ ১৫ তম গ্রেড জব। আসুন জেনে নি এই গ্রেডের জবসমূহের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ সম্পর্কে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, ড্রাইভার, লাইব্রেরি অ্যাসিস্ট্যান্ট, ট্রেসার, এবং বিভিন্ন কারিগরি পদের (যেমন: মেকানিক, ইলেকট্রিশিয়ান) সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
১৫তম গ্রেডের জবসমূহের বিভিন্ন পদ, গ্রেড, এবং বেতন স্কেল:
পদের নাম | গ্রেড | বেতন স্কেল |
এভি অপারেটর |
১৫তম |
৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা |
ইলেকট্রিশিয়ান |
লাইব্রেরি অ্যাসিস্ট্যান্ট |
১৬তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ:
বাংলাদেশে ১৬ তম গ্রেডের অসংখ্য সরকারি পদে প্রতি বছর নিয়োগ হয়ে থাকে । প্রতি বছর এ পদে বিপুল পরিমাণ জনবল নিয়োগে স্ব–স্ব কর্তৃপক্ষ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে। অন্যান্য সরকারি জবের ন্যায় ১৬ তম গ্রেডের জবসমূহেও রয়েছে নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা। সাধারণত অফিস সহকারী, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, ক্যাশিয়ার, ড্রাইভার বা অফিস সহায়ক এই গ্রেডের উল্লেখযোগ্য পদ।
১৬তম গ্রেডের জবসমূহের বিভিন্ন পদ, গ্রেড, এবং বেতন স্কেল:
পদের নাম | গ্রেড | বেতন স্কেল |
ক্যাশিয়ার |
১৬তম |
৯,৩০০ - ২২,৪৯০ টাকা |
লিফটম্যন |
ডাটা এন্ট্রি অপারেটর |
১৭তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ:
বাংলাদেশে ১৭তম গ্রেডের সরকারি চাকরি সাধারণত অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক, বাইন্ডার, নিরাপত্তা প্রহরী, বা সমমানের পদ। অন্যান্য সরকারি জবের ন্যায় এই পদেও রয়েছে নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা।
১৭তম গ্রেডের জবসমূহের বিভিন্ন পদ, গ্রেড, এবং বেতন স্কেল:
পদের নাম | গ্রেড | বেতন স্কেল |
বাইন্ডার |
১৭তম |
৯,০০০ - ২১,৮০০ টাকা |
নিরাপত্তা প্রহরী |
অফিস সহকারী |
১৮তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ:
১৮তম গ্রেড সরকারি চাকুরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ, যা মূলত তৃতীয় শ্রেণীর পদ হিসেবে গণ্য। এই গ্রেডের উল্লেখযোগ্য পদসমূহ হলো- মেশিন অপারেটর, সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ,মৎস্য সহকারী, কারিগরি ও মেকানিক সমমানের পদ।
১৮তম গ্রেডের জবসমূহের বিভিন্ন পদ, গ্রেড, এবং বেতন স্কেল:
পদের নাম | গ্রেড | বেতন স্কেল |
মৎস্য সহকারী |
১৮তম |
৮,৮০০-২১৩১০ টাকা |
মেকানিক |
সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্ট |
১৯তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ:
১৯তম গ্রেডের সরকারি চাকরিগুলো সাধারণত অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, মালি, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, কুক বা বাবুর্চি প্রভৃতি। অন্যান্য সরকারি জবের ন্যায় এই পদেও রয়েছে আকর্ষণীয় বেতন ও নানাবিধ সুযোগ সুবিধা। আপনি যদি এই পদের একজন আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে আপনি সঠিক প্লাটফর্মে প্রবেশ করেছেন।
১৯তম গ্রেডের জবসমূহের বিভিন্ন পদ, গ্রেড, এবং বেতন স্কেল:
পদের নাম | গ্রেড | বেতন স্কেল |
পরিচ্ছন্নতা কর্মী |
১৯তম |
৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা |
ল্যাবরেটরি অ্যাটেন্ডেন্ট |
কুক বা বাবুর্চি |
২০তম গ্রেডের গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ:
২০ তম গ্রেড হলো বাংলাদেশ সরকারি চাকরির বেতন কাঠামোর সর্বনিম্ন (চতুর্থ শ্রেণী) পদ। সাধারণত এসএসসি বা সমমান পাসে এই পদগুলোতে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই গ্রেডের পদের মধ্যে রয়েছে অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, পরিচ্ছন্নতা কর্মী, মালী্, অফিস রক্ষণাবেক্ষণ, এমএলএসএস (MLSS), ল্যাব এটেনডেন্ট প্রভৃতি।
২০তম গ্রেডের জবসমূহের বিভিন্ন পদ, গ্রেড, এবং বেতন স্কেল:
পদের নাম | গ্রেড | বেতন স্কেল |
হেল্পার বা পোর্টার |
২০তম |
৮,২৫০-২০,০১০ টাকা |
অফিস রক্ষণাবেক্ষণ |
নিরাপত্তা প্রহরী |
১৪তম - ২০তম গ্রেডের পদসমূহে আবেদনের যোগ্যতা
১৪-২০ তম গ্রেডের সরকারি চাকুরির জন্য সাধারণত এইচএসসি (HSC) থেকে স্নাতক (Bachelor's) পাসের প্রয়োজন হয়। পদের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষাগত যোগ্যতা ভিন্ন হয়, তবে সাধারণ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে এইচএসসি বা সমমান এবং সহকারী পদে স্নাতক ডিগ্রির প্রয়োজন হয়।
তাছাড়া পদভেদে কম্পিউটার দক্ষতা মূল্যায়ন পরীক্ষা হয়ে থাকে। সাধারণত এসব পদে নিয়োগ পরীক্ষা সাধারণ বা অন্যান্য সমমানের পদের চেয়ে সহজ হয়, তবে কাজের ধরন পুরোপুরি শারীরিক এবং রক্ষণাবেক্ষণমূলক। অন্যান্য সরকারি জবের ন্যায় এই সমস্ত জবেও মূল বেতনের সাথে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, এবং উৎসব বোনাসসহ অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকে।
১৪তম - ২০তম গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি
১৪-২০ তম গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি সত্যিকার অর্থে কোন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয় তা বলা মুশকিল। কারণ দপ্তর বা অধিদপ্তরভেদে এই পরীক্ষা ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধিতে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। কোনো প্রতিষ্ঠান শুধু প্রিলিমিনারি আবার কোনো প্রতিষ্ঠান প্রিলিমিনারি ও প্র্যাকটিক্যাল আবার কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার টেস্ট নিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকে। তবে সব প্রক্রিয়ায় ভাইভা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক থাকে ।
পরীক্ষা পদ্ধতির বিস্তারিত:
প্রিলিমিনারি/MCQ পরীক্ষা: অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা নেওয়া হয় যেখানে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান থেকে প্রশ্ন থাকে।
লিখিত পরীক্ষা: কিছু ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত লিখিত পরীক্ষা (Written Exam) নেওয়া হয় ।
মৌখিক পরীক্ষা: লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য মৌখিক পরীক্ষা (Viva) বাধ্যতামূলক।
১৪তম - ২০তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন
বিষয় | মানবন্টন |
বাংলা | ২০/২৫ |
ইংরেজি | ২০/২৫ |
গণিত | ২০/২৫ |
সাধারণ বিজ্ঞান | ২০/২৫ |
১৪-২০তম গ্রেডের জবসমূহ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় দপ্তর বা অধিদপ্তরভেদে এই পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণজ্ঞানের উপর ১০০ অথবা ৮০ নম্বরের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে থাকে। তবে কিছু কিছু অধিদপ্তর প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পাশাপাশি রিটেন পরীক্ষাও নিয়ে থাকে। উল্লেখ্য যে, সকল পরীক্ষার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত মূল্যায়ন ভাইভা পরীক্ষার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
১৪তম - ২০তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি:
১৪-২০তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভালো করতে হলে, অবশ্যই প্রতিটি বিষয়ের তথা বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানের উপর আলাদা আলাদা সাবজেক্টিভ বইগুলো অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি বিগত সালের প্রশ্নসমূহ ভালোভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। নিচে ১৪-২০তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক সাজেশন তুলে ধরা হলো।
বাংলা বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
ব্যাকরণ:
বানান শুদ্ধি, বাক্য শুদ্ধি, এক কথায় প্রকাশ, বাগ্ধারা ও প্রবাদ, সমাস, সন্ধি, উপসর্গ, কারক-বিভক্তি, সমার্থক ও প্রতিশব্দ, শব্দার্থ, শব্দের শ্রেণিবিভাগ, বিপরীতার্থক শব্দ, দ্বিরুক্তি শব্দ, বিভিন্ন প্রকার শব্দ, ধ্বনি ও বর্ণ, বিরাম ও যতি চিহ্ন, প্রকৃতি ও প্রত্যয়, ক্রিয়াপদ, পদ প্রকরণ, ক্রিয়ার কাল, ভাষা, ব্যাকরণ ও লিপি, পারিভাষিক শব্দ।
বাংলা সাহিত্য:
গ্রন্থ ও রচয়িতা, পঙ্ক্তি ও চরণ, প্রাচীন ও মধ্যযুগ, প্রবন্ধ বা গল্পের লেখক, কবি-সাহিত্যিকদের জন্ম-মৃত্যু, পত্র-পত্রিকা, গ্রন্থের চরিত্র।
অধ্যয়নের উৎস:
ইংরেজি বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
Subject Verb Agreement, Sentence Completion Correction, Correct Spelling, Preposition, Parts of Speech, Phrases & Idioms, Translation, Number, Right form of verb, Transformation of Sentence, Voice, Narration, Analogy, Word Substitution, Tense, Degree, Gender, Determiner, Participle/Gerund, Phrases & Clauses.
অধ্যয়নের উৎস:
Classroom MCQ English Grammar & Literature [এম আই প্রধান মুকুল]
Master English [Md. Jahangir Alam]
Professors English for Competitive Exam
Oracle Competitive English
গণিত ও মানসিক দক্ষতা বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
পাটিগণিত:
সংখ্যার ধারণা, অনুপাত-সমানুপাত ও মিশ্রণ, সুদকষা, সময়, দূরত্ব ও গতিবেগ, শতকরা, ল.সা.গু ও গ.সা.গু, লাভ-ক্ষতি, বয়স, ভগ্নাংশ, বর্গমূল, গড়, ঐকিক নিয়ম, লোক ও খাদ্য, নল ও চৌবাচ্চা, পরিমাপ, ক্ষেত্রফল।
বীজগণিত:
মান নির্ণয়, সরল সমীকরণ, ধারা, সম্ভাব্যতা, সমাবেশ, উৎপাদক, বিবিধ।
জ্যামিতি:
ত্রিভুজ, কোণ, বর্গক্ষেত্র, আয়তক্ষেত্র, রম্বস, বৃত্ত
অধ্যয়নের উৎস:
সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
বাংলাদেশ বিষয়াবলি:
মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিবনগর সরকার, বাংলায় মুসলিম শাসনামল, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও জনশুমারি, প্রাচীন বাংলার ইতিহাস, ৬-দফা ও ১৯৭০ সালের নির্বাচন, দর্শনীয় স্থান ও স্থাপনা, ব্রিটিশ শাসনামল, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র, জাতীয় বিষয়াবলি, সংবিধান, ভাষা আন্দোলন, শিল্প ও সংস্কৃতি, নদ-নদী, বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা, খেলাধুলা, বাংলাদেশের প্রথম, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা, ভৌগোলিক অবস্থান ও জলবায়ু, পাটের জীবন রহস্য, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ, ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য, সঙ্গীত ও রচয়িতা, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, নারী ও শিশু, চলচ্চিত্র, পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেল, কৃষি সম্পদ, সাম্প্রতিক।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি:
সংস্থা, এসডিজি, সংস্থার সদর দপ্তর, প্রাচীন সভ্যতা, আন্তর্জাতিক দিবস, যুক্তরাষ্ট্র, খেলাধুলা, জাতিসংঘ, এশিয়ার দীর্ঘতম নদী, বিখ্যাত স্থান/শহর, রাজধানী, বিখ্যাত সংবাদ সংস্থা, বিখ্যাত চিত্রকর্ম, বিখ্যাত গ্রন্থ, জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ, আন্তর্জাতিক শিক্ষা, ফরাসি বিপ্লব, স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র, বিখ্যাত প্রণালি, বিশেষ অঞ্চল, ইউনেস্কো শ্রীলংকা, দেশ-মহাদেশ, সাম্প্রতিক।
অধ্যয়নের উৎস:
৫১তম বিসিএস ডাইজেস্ট প্লাস [বিদ্যাবাড়ি]
MP3 বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
প্রফেসর’স বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
ব্যাসিক ভিউ [মো: নাঈম হোসেন]
কম্পিউটার বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
কম্পিউটার, ইনপুট ও আউটপুর ডিভাইস, অপটিক্যাল ফাইবার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সামাজিক যোগাযোগ, ইন্টারনেট।
অধ্যয়নের উৎস:
১৪তম - ২০তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় ভালো করার কৌশল:
সিলেবাস অনুযায়ী পরিকল্পিত ও নিয়মিত পড়াশোনা করুন।
বিগত বছরের প্রশ্ন ভালোভাবে বিশ্লেষণ করুন।
নিয়মিত মডেল টেস্ট দিন এবং ভুলগুলো নোট করুন।
বারবার রিভিশনের মাধ্যমে শেখা বিষয়গুলো স্থায়ী করুন।
পরীক্ষার জন্য সময় ব্যবস্থাপনার অনুশীলন করুন।
বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান মজবুত করুন।
সাম্প্রতিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক তথ্য নিয়মিত পড়ুন।
নির্ভরযোগ্য আপডেটের জন্য বিদ্যাবাড়ির প্রতিদিনের চাকরির পত্রিকা অনুসরণ করুন।
১৪তম - ২০তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস ও মানবন্টন
১৪তম-২০তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষায় সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি/টপিক ভিত্তিক) থেকে প্রশ্ন আসে। মানবণ্টন ও সিলেবাস পদভেদে ভিন্ন হলেও মূল ভিত্তি হলো মাধ্যমিক পর্যায়ের বাংলা ব্যাকরণ, ইংরেজি গ্রামার, পাটিগণিত-বীজগণিত ও মৌলিক সাধারণ বিজ্ঞান। উল্লেখ্য যে ১৪-২০তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষার মানবন্টন দপ্তরভেদে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।
পরীক্ষার নাম | পরীক্ষার বিষয় | পরীক্ষার নম্বর | সর্বনিম্ন পাস নম্বর | সময় |
লিখিত পরীক্ষা | বাংলা | ২৫ | ৫০% | ৯০ মিনিট |
ইংরেজি | ২৫ |
গণিত ও পদ সংশ্লিষ্ট | ৩০ |
সাধারণ জ্ঞান | ২০ |
|
|
মৌখিক পরীক্ষা |
| ১০ |
সর্বমোট = | ১১০ |
১৪তম - ২০তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি
১৪তম-২০তম গ্রেডের জবসমূহের ক্ষেত্রে ২য় পর্যায়ে প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়। এক্ষেত্রে প্রার্থীদের ৭০ থেকে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হয়। ১৪তম-২০তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষায় প্রস্তুতি নিতে নিম্নোক্ত টপিকগুলোর উপর বিশেষ জোর দেওয়া বাঞ্ছনীয়। কারণ লিখিত পরীক্ষার নম্বর ও উত্তীর্ণ হওয়ার উপরই মূলত নির্ভর করে আপনার চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা ও অনিশ্চয়তা। নিম্নে ১৪তম-২০তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক টপিকসমূহ তুলে ধরা হলো।
বাংলা বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
ব্যাকরণ:
ভাষার সংজ্ঞা, ভাষার রূপ, সাধুভাষা ও চলিত রীতির রূপান্তর, দেশি ও বিদেশি শব্দ, ণত্ব-বিধান ও ষত্ব-বিধানের সংজ্ঞা ও নিয়মাবলি, দ্বিরুক্ত শব্দ, পদ, ধাতু, উপসর্গ, অনুসর্গ, প্রকৃতি ও প্রত্যয়, যতি বা বিরাম চিহ্ন, শুদ্ধ ও অশুদ্ধ, বাগধারা, বাক্য সংকোচন, প্রতিশব্দ ও সমার্থক শব্দ, প্রায় সমোচ্চারিত শব্দ, একই শব্দের বিভিন্নার্থে প্রয়োগ।
সারাংশ/সারমর্ম
পত্র লিখন:
ব্যক্তিগত পত্র, আবেদন পত্র, পত্রিকায় প্রকাশানার্থে পত্র, ব্যবসা সংক্রান্ত্র পত্র, স্মারকলিপি।
বঙ্গানুবাদ
রচনা
অধ্যয়নের উৎস:
০১। ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলা বোর্ড বই
০২। সাহিত্য কথা [রানা ঘোষ]।
০৩। শীকর [মোহসিনা নাজিলা]।
০৪। অগ্রদূত [মফিজুল ইসলাম মিলন]।
ইংরেজি বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
a. Grammar: Use of Verb, Preposition, Voice, Narration, Correction of errors in composition, use of words having similar pronunciation but conveying different meaning, use of idioms and phrases.
b. Essay (with hints)
c. Letter: Official/Semi-official/Memorandum/Business Type.
d. Comprehension
অধ্যয়নের উৎস:
গণিত ও মানসিক দক্ষতা বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
পাটিগণিত:
সেট ও সংখ্যা, সরল, গড়, লাভ-ক্ষতি, শতকরা, সুদকষা, ক্ষেত্রফল, অনুপাত, সমানুপাত।
বীজগণিত:
বর্গ ও ঘন এর সূত্র এবং এর ব্যবহার, ল.সা.গু., গ.সা.গু, উৎপাদকে বিশ্লেষণ, সমাধান, মান নির্ণয় ইত্যাদি।
জ্যামিতি:
প্রাথমিক ধারণা ও সংজ্ঞা, রেখা, বিন্দু, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ সম্পর্কীয় বিষয়াদী; ক্ষেত্রফল ও বৃত্ত সম্পর্কীয় বিয়াবদি, ত্রিকোণমিতি ইত্যাদি।
মানসিক দক্ষতা:
Ability to understand language, decision making ability, ability to measure spatial relationship and direction, problem solving ability, perceptual ability etc.
অধ্যয়নের উৎস:
Khairul’s Basic Math
Ashraful’s Math Cocktail
Professors Math
সাধারণ জ্ঞান বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
বাংলাদেশ বিষয়াবলী:
বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থা, জনসংখ্যা, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, শিল্প ও সাহিত্য, প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ, জলবায়ু, পরিবেশ, বাংলাদেশের উন্নয়নে কৃষি, শিল্প, বাণিজ্যের অবদান, উন্নয়ন পরিকল্পনা।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী:
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, জাতিসংঘ ও এর অঙ্গ সংগঠনসমূহ, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ, গ্লোবালাইজেশন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূজহ, বিশ্বের বিখ্যাত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা স্থানসমূহ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি:
দৈনন্দিন বিজ্ঞান, বায়ু, মাটি, তাপ, বিদ্যুৎ, আলো চুম্বক, খাদ্যের উপাদান, জনস্বাস্থ্য
অধ্যয়নের উৎস:
ওরাকল বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
প্রফেসর’স বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
অ্যাসিওরেন্স বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
কম্পিউটার বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ টপিকসমূহ:
কম্পিউটার, কম্পিউটারের প্রকারভেদ, কম্পিউটারের প্রজন্ম, কম্পিউটার পেরিফেরালস, কম্পিউটারের স্মৃতি, কম্পিউটার সফটওয়্যার, ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, কম্পিউটার ভাইরাস, ইন্টারনেট, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, নেটওয়ার্ক ডিভাইস, নেটওয়ার্ক টপোলজি, তারবিহীন মাধ্যম, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং, কম্পিউটার সম্পর্কে বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান।
অধ্যয়নের উৎস:
১৪তম - ২০তম গ্রেডের লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার কৌশল
১৪তম–২০তম গ্রেডের চাকরির পরীক্ষার প্রবণতা বিশ্লেষণ করলে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা স্পষ্ট হয় এই স্তরের পরীক্ষাগুলো এখন অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতিনির্ভর। বিপুল সংখ্যক প্রার্থী কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করেন শুধুমাত্র এ গ্রেডে একটি স্থায়ী সরকারি পদ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। কারণ বর্তমান কর্মসংস্থান বাস্তবতায় এই গ্রেডের চাকরিগুলো আর কেবল “এন্ট্রি লেভেল” নয়; বরং একটি স্থিতিশীল ক্যারিয়ার শুরু করার কার্যকর মাধ্যম।
অন্য গ্রেডের তুলনায় ১৪তম–২০তম গ্রেডে তুলনামূলক বেশি সংখ্যক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আবেদনকারীর সংখ্যাও অনেক বেশি থাকে। পদসংখ্যা বেশি হলেও প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রতিযোগী থাকে কয়েকগুণ। এই তীব্র প্রতিযোগিতাই একদিকে যেমন চ্যালেঞ্জ তৈরি করে, অন্যদিকে এই গ্রেডের চাকরিগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।
এই বাস্তবতায় সফল হতে হলে প্রস্তুতিকে হতে হবে কৌশলভিত্তিক ও পরিকল্পিত। শুধুমাত্র পড়াশোনা করলেই হবে না; জানতে হবে কী পড়তে হবে, কতটুকু পড়তে হবে এবং কীভাবে পড়তে হবে।
সফলতার জন্য প্রয়োজন:
সিলেবাস গভীরভাবে বিশ্লেষণ
বিগত বছরের প্রশ্নের ধরণ বোঝা
নিয়মিত সময় নির্ধারণ করে অধ্যয়ন
মডেল টেস্টের মাধ্যমে নিজের অবস্থান যাচাই
দুর্বল অংশ চিহ্নিত করে ধারাবাহিক উন্নয়ন
বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে, প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি ও ট্রেন্ড বিশ্লেষণ এই গ্রেডের পরীক্ষায় বড় সুবিধা এনে দেয়। তাই এলোমেলো প্রস্তুতির পরিবর্তে কাঠামোবদ্ধ প্রস্তুতিই এখানে কার্যকর।
সঠিক দিকনির্দেশনা ও বিশ্লেষণভিত্তিক প্রস্তুতির জন্য আপনি BCS Written And Viva Practice পেজটি অনুসরণ করতে পারেন। সেখানে সিলেবাসভিত্তিক আলোচনা, প্রশ্ন বিশ্লেষণ এবং প্রস্তুতি–সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়।
মনে রাখবেন এই প্রতিযোগিতা সবার জন্য সমান, কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা সবার থাকে না। আপনি যদি ধারাবাহিক, সচেতন এবং লক্ষ্যভিত্তিক প্রস্তুতি বজায় রাখতে পারেন, তবে সফলতা আপনার নাগালের বাইরে থাকবে না।
১৪তম - ২০তম গ্রেডের মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষার প্রস্তুতি
১৪–২০তম গ্রেডের ভাইভায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায় কেবল প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা। ভাইভা পরীক্ষায় ভালো করতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন:
নিয়মিত অনুশীলন ও পরিশ্রমী প্রার্থীরাই ভাইভায় এগিয়ে থাকে
আত্মবিশ্বাস ও পরিষ্কার উপস্থাপন ভাইভায় বড় ভূমিকা রাখে
নিজ জেলা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভালোভাবে জেনে রাখতে হবে
নিজ সাবজেক্ট বা শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রস্তুত রাখতে হবে
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে
সাম্প্রতিক আলোচিত বিষয় ও ইস্যু নিয়মিত আপডেট রাখতে হবে
প্রার্থী যে প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা করেছে, সে বিষয়ে মৌলিক তথ্য জানতে হবে
যে পদের জন্য ভাইভা দিচ্ছেন, সেই পদের দায়িত্ব ও কাজ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে
ভদ্র আচরণ, পরিপাটি পোশাক ও ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখতে হবে
একটি সুন্দর ও পরিপূর্ণ ভাইভা আপনার চূড়ান্ত সফলতা নির্ধারণ করে দিতে পারে
১৪তম - ২০তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতিতে যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলা উচিত
১৪তম-২০তম গ্রেডের চাকরির প্রস্তুতির সঠিক গাইডলাইন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে অধিকাংশ প্রার্থীরাই শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত মনোনীত হতে পারে না। আপনি যদি সত্যিই ১৪তম-২০তম গ্রেডের প্রস্তুতি নিতে চান তাহলে ব্লগটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়ে আপনার প্রস্তুতি শুরু করুন এখন থেকে।
এক্ষেত্রে আপনি যে গ্রেডের প্রস্তুতি নিতে চান সেই গ্রেডের বিগত সালের প্রশ্ন, সিলেবাস বিশ্লেষণ, নিয়মিত অনুশীলন ও প্রতিনিয়ত আপডেট তথ্য আহরণ করতে থাকুন। এক্ষেত্রে বিদ্যাবাড়ির প্রতিদিনের চাকরির পত্রিকা আপনার বেশ সহায়ক হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে প্রায়শ চাকরির প্রার্থীরা সিলেবাস পর্যালোচনা বা বিগত সালের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে প্রশ্ন প্যাটার্ন সম্পর্কে ধারণা না নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকে।
ফলে অনেক সময় দেখা যায় প্রার্থীরা কোনোভাবে একটি বা দুটি ধাপ অতিক্রম করলেও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত মনোনয়নে ব্যর্থ হয়। সুতরাং এক্ষেত্রে নিজেকে প্রস্তুত করতে টার্গেট ভিত্তিক পড়াশোনা ও একটি নির্দিষ্ট গাইডলাইন অনুসরণ করা বাঞ্ছনীয়। আর এক্ষেত্রে আপনার সেরা প্রস্তুতি হতে পারে Biddbari প্লাটফর্ম। যেখানে ২৪ ঘন্টা একজন মেন্টরস কর্তৃক আপনাকে কোর্স ভিত্তিক স্পষ্ট গাইডলাইন দেওয়া হয়।
FAQ
প্রশ্ন: ১৪তম - ২০তম গ্রেডের চাকরির জন্য সর্বনিম্ন যোগ্যতা কী?
উত্তর: ১৪ তম-২০ তম গ্রেডের চাকরির সর্বনিম্ন যোগ্যতা এসএসসি (SSC) পাশ তবে, কিছু ক্ষেত্রে এইচএসসি (HSC) পাশ যোগ্যতা প্রয়োজন হয় ।
প্রশ্ন: নন ক্যাডার ও ১৪তম - ২০তম গ্রেডের চাকরির মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: নন-ক্যাডার (সাধারণত ৯ম-১০ম গ্রেড) ও ১৪তম-২০তম গ্রেডের চাকরির মধ্যে মূল পার্থক্য হলো পদের পদমর্যাদা, কাজের ধরন এবং পদোন্নতির সুযোগ।
প্রশ্ন: ১৪তম - ২০তম গ্রেডের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাস নম্বর কত?
উত্তর: ১৪তম - ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরির প্রিলিমিনারি বা বাছাই পরীক্ষায় সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো পাস নম্বর (যেমন ৫০% বা ৬০%) থাকে না। এটি একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, যেখানে পদের সংখ্যার তুলনায় প্রার্থীর সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মেধাতালিকা তৈরি করা হয়
তবে সাধারণত ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষায় ভালো পজিশনে থাকতে ৫০-৬০% এর বেশি নম্বর নিরাপদ ধরা হয়।
প্রশ্ন: প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং থাকে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, বাংলাদেশের অধিকাংশ সরকারি চাকরির প্রিলিমিনারি বা এমসিকিউ (MCQ) পরীক্ষায়
নেগেটিভ মার্কিং থাকে। সাধারণত প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ০.২৫ নম্বর কাটা যায়।
প্রশ্ন: কোন বই দিয়ে প্রস্তুতি শুরু করা উচিত?
উত্তর: ডাইজেস্ট প্লাস । তবে, পাশাপাশি লিখিত অংশের জন্য স্ব স্ব সাবজেক্টের ব্যাসিক বইগুলো অনুসরণ করুন।
প্রশ্ন: আগের বছরের প্রশ্ন সমাধান কি আসলেই কাজে লাগে?
উত্তর: অবশ্যই খুবই কাজে দেয়। মূলত পূর্বের প্রশ্ন থেকে ৬০% প্রশ্নের অধিক প্রশ্ন এসে থাকে।
প্রশ্ন: কতদিন প্রস্তুতি নিলে ভালো করা সম্ভব?
উত্তর: নিয়মিত ৮মাস – ১২ মাস অধ্যবসায় করলে ভালো করা সম্ভব।
উপসংহার
প্রিয় পাঠক, আমাদের এই প্রচেষ্টা তখনই সার্থক হবে, যখন আপনি এই লেখাটি থেকে সামান্য হলেও উপকৃত হবেন এবং আপনার প্রস্তুতিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে পারবেন।
মনে রাখবেন সাফল্য কখনোই হঠাৎ আসে না; এটি ধারাবাহিক, সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিত অধ্যবসায়ের ফল। তাই নিয়মিত সিলেবাসভিত্তিক ও টপিকভিত্তিক অধ্যয়ন করুন। বিগত বছরের প্রশ্নসমূহ বিশ্লেষণ করে আয়ত্তে আনুন। প্রশ্নের ধরন বোঝা এবং পুনরাবৃত্তি চিহ্নিত করাই সফলতার অন্যতম চাবিকাঠি।
প্রয়োজনে একটি নির্ভরযোগ্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে পারেন, যেখানে গাইডলাইন, মডেল টেস্ট ও বিশ্লেষণভিত্তিক প্রস্তুতির সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি নিয়মিত পরীক্ষা দিয়ে নিজের দুর্বল দিকগুলো শনাক্ত করুন এবং ধাপে ধাপে উন্নতি করুন। বিশ্বাস রাখুন পরিকল্পিত প্রস্তুতি, নিয়মিত অনুশীলন এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে সফলতা আপনার নাগালেই। আপনার সফলতাই ‘বিদ্যাবাড়ি’র একমাত্র কাম্য।
Comments