বিদ্যাবাড়ি-এর মডেল টেস্ট আমাকে বাস্তব প্রস্তুতির সাথে পরিচিত করেছে। আমি শুরুতে অনেক বেশি চিন্তা করতাম কিন্তু কম কাজ করতাম। পরে বুঝতে পারি কাজই আসল। এরপর নিয়মিত পড়াশোনা শুরু করি। প্রতিদিন অল্প হলেও অগ্রগতি রাখতাম। ক্লাস ও টেস্ট আমাকে ধারাবাহিক রেখেছে। ধীরে ধীরে ফলাফল আসতে শুরু করে।
আমি শুরু থেকেই অন্যান্য চাকরির প্রস্তুতির পাশাপাশি ব্যাংকের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনামাফিক পড়াশোনা করেছি।এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পড়িয়েও ভালো একটি প্রস্তুতি অর্জন হয়েছে। টার্গেট ফিক্স করে লেগে থাকার মানসিকতা নিয়ে ধৈর্যের সাথে পরিশ্রম করতে পারলে যেকোন ক্ষেত্রেই সফলতা অর্জন সহজ ও সম্ভব।
সঠিক পরিকল্পনা,দৃঢ় মনোবল এবং সৎ মানসিকতা নিয়ে ধৈর্য্যের সাথে পরিশ্রম করতে পারলে ক্যাডার হওয়া সম্ভব।
ধৈর্য এবং অধ্যবসায় থাকলে যেকোনো বাধা পার হওয়া সম্ভব বলে আমি বিশ্বাস করি।পড়াশোনার ক্ষেত্রে আমি নিয়মানুবর্তিতার নীতিতে চলেছি।সততার সাথে লেগে থেকেছি। বেশ কিছু পরিক্ষায় ভাইভা দেওয়ার সুযোগ হয়েছে এবং কাঙ্ক্ষিত সফলতাও পেয়েছি।
নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস রেখে একটি সঠিক স্টাডিপ্ল্যান অনুযায়ী পরিমিত পরিশ্রম করা। সুপরিকল্পিত পরিশ্রমই এনে দিতে পারে সফলতার উপলক্ষ্য। আমি পড়াশোনা শেষে দেশের বাইরে ইন্টার্ন করেছি ২বছর। এতে আমার স্টাডি গ্যাপ হয়েছে। তবুও নতুন করে শুরু করে সাফল্য পেয়েছি।
সরকারি চাকরি যাদের স্বপ্ন, তাদের জন্য পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের কোনো বিকল্প নেই। দৃঢ় মনোবল নিয়ে জীবনের নানা প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে - আজকের কষ্টই আগামী দিনের সাফল্যের ভিত্তি। ধৈর্য, নিষ্ঠা আর আত্মবিশ্বাস থাকলে স্বপ্ন একদিন অবশ্যই পূরণ হবে, ইনশাআল্লাহ।